বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা: শিক্ষার্থীরা কতটা আগ্রহী হচ্ছে?



কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থী বাড়ছে।

বাংলাদেশে গত এক দশকে বহু কারিগরি কলেজ এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। প্রতি বছর দেশটিতে যে লক্ষ-লক্ষ তরুণ চাকরীর বাজরে আসছে, তাদের কর্মসংস্থানের জন্য কারিগরি শিক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে বলে মনে করেন অনেকে। কিন্তু এসব কারিগরি শিক্ষাকেন্দ্র শিক্ষার্থীরা কতটা আগ্রহী হচ্ছে? প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের কতটা টানতে পারছে?

বিষয়টি দেখতে আমি গিয়েছিলাম ঢাকার দারুস সালাম এলাকায় বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। এ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ক্যাম্পাস বিশাল এলাকাজুড়ে অবস্থিত। বিভিন্ন কোর্সে ভর্তির আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। বেশিরভাগই বয়সে তরুণ।

এখানেই ভর্তি হয়েছেন সুমন কুমার বৈদ্য। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি বিবিএ পড়ছেন। কিন্তু তারপরেও এ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তিনি একটি কোর্স করতে চান। বলছিলেন বিবিএ পড়ার পরেও তিনি কেন এখানে আসলেন …

সুমন কুমার বৈদ্য বলছিলেন, ” আমার মতো অনেকে বিবিএ ডিগ্রি নিয়ে বসে আছে। এ রকম ভুরি-ভুরি ছাত্র আছে। আমি গার্মেন্টসে কোয়ালিটি কন্ট্রোলে কাজ করতে চাই। আমি একটা কাজ শিখতে চাই যাতে আমাকে বেকার বসে থাকতে না হয়।”

সুমন কুমার জানালেন, তার মতো অনেকেই আছে এ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ভর্তি হতে চায়। কিন্তু সামাজিকভাবে এ পড়াশুনাকে মূল্যায়ন করা হয়না বলেই অনেকে ‘মেধাবী শিক্ষার্থীরা’ এখানে আসতে চায়না।

ঢাকা পলিটেকনিকের কয়েকজন শিক্ষার্থীঢাকা পলিটেকনিকের কয়েকজন শিক্ষার্থী

কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ভর্তি হতে এসেছেন মমিনুল ইসলাম। একটি ঢাকার একটি সরকারী কলেজে অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র তিনি। মি: ইসলাম বলছিলেন, চার বছর ধরে অনার্স পড়ার পরে তিনি অনুধাবন করলেন কারিগরি শিক্ষা নেয়াটা তার জন্য জরুরী। বলছিলেন, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কী ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া হয় সেটি তার মতো অনেকেই জানে না।

মমিনুল ইসলাম বলেন, ” এটা যে একটা টেকনিক্যাল সেটা দেখেছি। কিন্তু এখানে কী হয়, সেটা আমার জানা ছিলনা। আমি ভেবেছিলাম এটা ভাষা শিক্ষার একটা কেন্দ্র। “

সরকারী হিসেবে বাংলাদেশে এখন প্রায় আট হাজারের মতো কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে। এর নব্বই শতাংশই হচ্ছে বেসরকারি। এসব প্রতিষ্ঠানে চার বছর মেয়াদী থেকে শুরু করে তিনমাস মেয়াদী পর্যন্ত নানা ধরনের কারিগরি কোর্স পড়ানো হয় কিংবা প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। বাংলাদেশে স্কুল গুলোতে ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ‘কর্ম-জীবনমুখী শিক্ষা’ নামে একটি বই পড়ানো হয়। এ বইয়ের অন্যতম লেখক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউট-এর অধ্যাপক মজিবুর রহমান। গবেষণা করতে গিয়ে তিনি দেখেছেন, কারিগরি শিক্ষার প্রতি সমাজের অনেকেরই এক ধরনের নেতিবাচক মনোভাব আছে ।

মজিবুর রহমান, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়মজিবুর রহমান, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

অধ্যাপক রহমান বলেন, ” সামাজিকভাবে ধরে নেয়া হয় যারা পড়াশুনায় ভালো নয় তারা টেকনিক্যাল এডুকেশনে আসবে। সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির কারণে এটা হচ্ছে।”

সরকারী পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, ২০১৬ সালে দেশে প্রায় আট হাজার কারিগরি শিক্ষা কেন্দ্রে প্রায় ১১ লাখ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। দেশের স্কুল-কলেজ -মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা মিলিয়ে যত শিক্ষার্থী আছে তার প্রায় ১৩ শতাংশ টেকনিক্যাল প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি হয়েছে। অর্থাৎ বাকি ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী অন্য প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাস্তবতায় এটি অন্তত দ্বিগুণ হওয়া ছিল। কিন্তু বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রের বাজারে কারিগরি প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের চাহিদা এবং জোগান কতটা রয়েছে সে বিষয়ে পরিষ্কার কোন চিত্র নেই। বলছিলেন, বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো: শাহজাহান মিয়া।

শাহজাহান মিয়া বলেন, ” আমাদের দেশে প্রতিবছর ২০ লক্ষ মানুষ চাকরীর বাজারে আসছে। কিন্তু টেকনিক্যাল খাতে লোকবলের চাহিদা কতটা সেটা আমরা এখনো নির্ণয় করতে পারি নাই।”

তিনি মনে করেন কারিগরি সেক্টরে কর্মসংস্থান এবং শিক্ষা নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ গবেষণা হওয়া উচিত।

মো: শাহজাহান মিয়ামো: শাহজাহান মিয়া

কারিগরি শিক্ষা নিয়ে জানতে আমি গিয়েছিলাম ঢাকার পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে। দেশের সবচেয়ে পুরনো পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এটি। এখানে এসএসসি পাশ করেই অনেকে ভর্তি হয় চার বছর মেয়াদি বিভিন্ন কোর্সে। তবে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের সংখ্যা খুবই কম।

এখানে মেয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেল, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কলেজগুলোতে মেয়েরা খুব একটা পড়তে চায় না । যারা পড়ছেন, তাদের মধ্যে কেউ-কেউ বাধ্য হয়ে ।

একজন ছাত্রী বলছিলেন, ” আমার তেমন কোন ইচ্ছা ছিলনা। কিন্তু আমার আপু পড়াতে আমাকে ভর্তি করানো হলো। সব মেয়েরা টেকনিক্যাল লাইনে পড়তে চায় না। অধিকাংশ মেয়েরা জেনারেল লাইনে পড়ে ডিগ্রি অর্জন করতে চায়।”

বাংলাদেশে অনেক কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে উঠেছ যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে, বিদেশে দক্ষ কর্মী পাঠানো। যারা বিদেশে কর্মী হিসেবে যেতে চায় তাদের অনেকেই এ ধরনের প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ঢাকায় বাংলাদেশ-কোরিয়া টেকনিক্যাল সেন্টারের অধ্যক্ষ সাখাওয়াত আলী বলছিলেন, তাদের প্রতিষ্ঠানে যারা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তারা কোথায় যায়?

মি: আলী জানালেন, ” বিশ্বের ১০০টির বেশি দেশে আমাদের কর্মীরা যাচ্ছে। এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে অনেকে বিদেশে গেছে। আমাদের মূল টার্গেট বিদেশে দক্ষ শ্রমিক পাঠানো।”



সাখাওয়াত আলীসাখাওয়াত আলী, অধ্যক্ষ, বাংলাদেশ-কোরিয়া টেকনিক্যাল সেন্টার

বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বলছে, গত বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে তারা দেখছেন, এ খাতে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা দ্রুত গতিতে বাড়ছে। সরকারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পাঁচ বছর আগে কারিগরি শিক্ষায় প্রতিবছর শিক্ষার্থী ভর্তির হার ছিল ৫ শতাংশ। এখন সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ শতাংশ। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো: মোস্তাফিজুর রহমান বলছেন, দেশের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষিত জনবল গড়ে তোলার জন্য কারিগরি শিক্ষা পদ্ধতির আধুনিকায়ন হয়েছে ।

মি: রহমান বলেন, ” আমাদের যে কর্মী দরকার, ইঞ্জিনিয়ার দরকার সেটা আমরা প্রোডিউস করতে পারছি কিনা। আমাদের এসব প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরী করছে। শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী কোর্স নির্ধারণ করা হচ্ছে ।”

সরকার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, ২০২০ সালের মধ্যে কলেজ পর্যায়ের মোট শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০ শতাংশ আসবে কারিগরি কলেজ বা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে। কিন্তু একই সাথে কারিগরি শিক্ষার প্রতি সামাজিক মনোভাব বদলালে আরো অনেকে কারিগরি আসতে উৎসাহিত হবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

Facebook Comments

ইঞ্জিনিয়ারদের সরকারী চাকুরীতে আবেদন সংক্রান্ত কিছু কথা




যে কথাগুলো লিখতে যাচ্ছি, তা ইতিপূর্বে অনেক বার লিখা হয়েছে এবং প্রায় প্রত্যকেরই জানা। কিন্তু সদ্য পাস করা ইঞ্জিনিয়ারদের জ্ঞাতার্থে পুনরায় লিখছি ।

  • বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষাগত যোগ্যতার ব্যাপারে যে বিষয়/টেকনোলজি/ট্রেড থেকে পাস করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেই বিষয় ব্যতিত অন্য কোন বিষয়ে পাস করা প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না। বিজ্ঞপ্তিতে অনেক সময় ১ম শ্রেণীর ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী বা ন্যূনতম ২য় শ্রেণীর ডিগ্রী চেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে যোগ্যতার ঘাটতি থাকলে আবেদন না করায় উত্তম।
    জিপিএ- ৩.০০ বা তার বেশি= ১ম শ্রেণী।
    জিপিএ- ২.২৫ থেকে ৩.০০ এর নিচে= ২য় শ্রেণী।
    জিপিএ- ২.২৫ এর নিচে= ৩য় শ্রেণী।
  • ৮ম সেমিস্টারে অধ্যয়ন করছেন বা শেষ করেছেন কিন্তু চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হয়নি, এ অবস্থায় কোন সরকারী চাকুরীর জন্য আবেদন করতে পারবেন না।মূল সার্টিফিকেট হাতে পান নি, কিন্তু চূড়ায় ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে এ অবস্থায় সরকারী চাকুরীর জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে-  

  1.  যদি অনলাইনে আবেদন করতে হয়, তাহলে মূল সার্টিফিকেট প্রয়োজন নেই, শুধু মাত্র মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রয়োজন হবে। সেক্ষেত্রে তখনও সার্টিফিকেট হাতে না পেলে বাকাশিবো থেকে সাময়িক সার্টিফিকেট উঠাতে পারবেন।
    “বিপিএসসি” এর মাধ্যমে হলে প্রিলিমিনারী বা বাছাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর লিখিত পরীক্ষার পূর্বে “বিপিএসসি ফরম-৩” এর সাথে সার্টিফিকেটের ফটোকপি জমা দিতে হবে। সেক্ষেত্রে সার্টিফিকেট হাতে না পেলে সাময়িক সার্টিফিকেট দিয়েও ফরম জমা দিতে পারবেন।
  2.  হাতে লিখিত ফরমে আবেদন করতে হলে যদি প্রাথমিক অবস্থায় সার্টিফিকেটের ফটোকপি চেয়ে থাকে তাহলে সার্টিফিকেট ছাড়া আবেদন করতে পারবেন না, যদি না চেয়ে থাকে তাহলে আবেদন করতে পারবেন। শুধুমাত্র মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রয়োজন হবে।

    নিয়মিত আমাদের পোস্টগুলো আপনার Engineershelpbd.com ফেসবুক পেজে পেতে আমাদের পোস্ট গুলোতে নিয়মিত লাইক/কমেন্ট করুন। পোস্টটি শেয়ারের মাধ্যমে সকল প্রকৌশলীকে দেখার সুযোগ করে দিন!!

Facebook Comments

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর (বিদ্যুৎ) ফলাফল প্রকাশ


শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এ উপ-সহকারী প্রকৌশলী(বিদ্যুৎ) এস্টিমেটর, ড্রাপ্ট্সম্যান এর ফলাফল প্রকাশ






Facebook Comments

এবার রেল সেতুর স্লিপারে বাঁশ!




শিরোনামটি দেখে প্রথমে বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হলেও ঘটনাটি সত্যি। বিভিন্ন স্থাপনায় রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের খবর প্রকাশ হলেও এবার দেখা গেলো রেল সেতুর স্লিপারে রড বা পাতের বদলে ব্যবহার করা হয়েছে বাঁশের ফালি।

সিলেট-আখাউড়া রেলপথের কুলাউড়া উপজেলার ২০৬নং মনু রেলসেতুর কাঠের অর্ধেক স্লিপার নষ্ট হয়ে গেছে। আর নষ্ট হওয়া স্লিপারের সংস্কার কাজে লাগানো হয়েছে বাঁশ।

রেল সূত্রে জানা গেছে, সেতুটির ওপর দিয়ে ঘন্টায় ৬০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করে। সেতুটি সরকারের একটি গুরুত্বপুর্ন স্থাপনার (কী পয়েন্ট ইনস্টলেশন বা কেপিআই) মধ্যে পড়েছে। মনু রেলস্টেশনের পাশেই এ সেতুর অবস্থান।

সরেজমিনে দেখা যায়, মনু নদীর ওপর প্রায় ৩০০ মিটার দৈর্ঘ্যরে এ সেতুতে ২০৮টি স্লিপার রয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেক স্লিপার নষ্ট হয়ে গেছে। স্থানচ্যুত না হতে ওই নষ্ট স্লিপারের ওপর ফালি করা বাঁশ স্থাপন করে পেরেক ঠুকে রাখার কাজ চলছে।

তিনজন কীম্যান (রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী) সেতুর ওপরে নাট-বল্টু লাগিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ স্লিপারের সঙ্গে নিচের গার্ডারের সংযোগ দেয়ার কাজ করছেন।

কীম্যান আব্দুর রহমান জানান, স্লিপারগুলো অনেক আগেই নষ্ট হয়ে গেছে। ট্রেন চলাচলের সময় ঝাকুনিতে নাটবল্টু খুলে স্লিপারগুলো সরে যায়। দিনে ২-৩ বার এসে খুটিয়ে খুটিয়ে দেখতে হয়। কোথাও ত্রুটি থাকলে সারাতে হয়।

এ অবস্থায় ট্রেন চলাচলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এই রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীরাও।

কুলাউড়া লোকোশেডের ট্রেনচালক নাজমুল হক জানান, ট্রেন চালানোর সময় রেল লাইনের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। কোনো কারণে স্লিপার লাইনচ্যুত হয়ে রেল ট্রেক সরে গেলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

মনু রেল স্টেশনটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে অনেক আগেই। সেখানে বর্তমানে কোনো ট্রেনের বিরতি হয় না। পার্শ্ববর্তী কুলাউড়া রেল স্টেশনের মাস্টার হরিপদ সরকারের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, রেলপথের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ তদারকি করা তার কাজ নয়। তিনি শুধু স্টেশনের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত। তাই মনু রেল ব্রিজের স্লিপার নষ্ট এবং স্লিপারে বাঁশ বা কি লাগানো হয়েছে তা তার জানা নেই।

তিনি বলেন, রেলপথের রক্ষণাবেক্ষণ এ অঞ্চলে কাজ করে শ্রীমঙ্গল এরিয়ার কীম্যান বিভাগ। এটি তারা বলতে পারবে।

সূত্রঃ যুগান্তর

Facebook Comments

আপনার যে কোন সি্মে ১০০০টাকা পর্যন্ত ফ্রি flexiload নিয়ে নিন




এবার থেকে আনলিমিটেড ফ্রি রিচার্জ করুন আপনার android ফোনে ।
পোস্টটি ভালো করে পড়বেন এবং তারপর মন্তব্য করুন ।
*প্রতিদিন ২৫টাকা ফ্রি রিচার্জ নিন ।
আজ আমি আপনাদের যে এপটির সাথে পরিচয় করিয়ে দেব তা হলো একটি ফ্রি রিচার্জের এপ । এপটির নাম Vodi.
Download link: http://vodi.io/rf/DUET123
*এই এপ এ তেমন কোনই কাজ নেই ।
*জয়েন করার সাথে সাথেই 273বা 334 পয়েন্ট পাবেন যা দিয়ে ২০ / ২৫ টাকা রিচার্জ নিতে পারবেন ।
আর যদি বেশী পয়েন্ট হয় তাহলে বেশী টাকা ।
*পেমেন্ট রিকুয়েষ্টের সাথে সাথে রিচার্জ পাবেন ।
*এই এপ এ কোন কাজ করতে হবে না । শুধু প্রতিদিন লগিন করতে হবে ।
*প্রতি রেফারে ১০০ পয়েন্ট বা ১০টাকা
*১০জন বন্ধু বানালেই গোল্ডেন মেম্বার হতে পারবেন ।
*এই এপ দিয়ে মেসেঞ্জারের মত আনলিমিটেড ফ্রি চ্যাট ,ভিডিও ও অডিও কল করতে পারবেন ফ্রি !
—প্লে স্টোর এ গিয়ে Vodi লিখে সার্চ দিয়ে এপটি নামান এবং ইনস্টল হলে ওপেন করে আপনার ফোন নম্বর ও ইমেইল এড্রেস দিয়ে( email adress na dile o cholbe) রেজিষ্ট্রেশন করে
রেফারেল কোড DUET123
*এই এপ এ তেমন কোনই কাজ নেই । বসাবেন ।
—রেফারেল কোড দিয়ে বোনাস পাবেন । আর রেফার কোড না দিলে বোনাস পয়েন্টের অভাবে রিচার্জ নিতে পারবেন না । Ref code: DUET123
*এই এপ এ তেমন কোনই কাজ নেই ।

v gold coller ar sob gulay click korben thahole v coins paben r obossoi id khula pore oi softwer theke message diben id active korte… best of luck



Facebook Comments